টাংগাইলে যমুনার অংশে তীব্র ভাঙন, শতাধিক ঘর-বাড়ী নদীগর্ভে বিলীন

লাবু খন্দকার স্টাফ রিপোটার:

চলতি বর্ষা মৌসুমে যমুনায় পানি বাড়ার সাথে সাথে নদীর পূর্ব পাড়ে টাংগাইল সদর অংশে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে শতাধিক ঘর-বাড়ী নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আরও শতাধিক ঘর-বাড়ি যমুনার ভাঙনের কবলে রয়েছে।

টাংগাইল সদর উপজেলার কাকুয়া, কাতুলী,মাহমুদনগর , কালিহাতি উপজেলার র্দূগাপুর ইউনিয়নে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। কয়েকদিনে শতাধিক ঘর-বাড়ি যমুনা গর্ভে চলে গেছে। টাংগাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ
মোহাম্ম্দ আলী জিন্নাহ সাংবাদিকদের জানান, হুগরা ইউনিয়ন হতে বিভক্ত ইউনিয়ন হয়ে কাকুয়া ইউনিয়নটি যমুনার ভাঙ্গনে র্দীঘদিন যাবত ভিটামাটি হারিয়ে দূর্ভোগ পোহাচ্ছে মানুষগুলো।

এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, ‘ত্রিশ বছরের অধিক সময় ধরে এখানে বসবাস করছি। গত বছর বাড়ির কিছুটা অংশ ভেঙে গেছে। ইউনিয়নের হাট-বাজার ও একশত বছর আগের পূরানো মসজিদ আজ রাক্ষুসি যমুনা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা হলে তারা জানান,এ বছরও বাড়ি-ঘর যমুনা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে এমন ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া, ভাঙ্গন রোধে নতুনভাবে ভাঙ্গন কবলিত স্থানগুলোর কোন ব্যবস্থা নেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড। বর্তমানে কিছু জি ও ব্যাগ ফেললেও তাহা তুলনা হারে অনেক কম। নদীর পারের বসবাসরত তাঁত পল্লী আজ তার কোন চিহ্ন নেই সেই জাগায় । কারন যমুনার ভাঙ্গনে বিলিন তাদের বাড়ী ঘর।
পানি উন্নয়ন বোর্ড টাঙ্গাইলের প্রকৌশলীদের দায়িত্বহীনতার কারণে দিন দিন ভেঙে যাচ্ছে নতুন নতুন ঘর-বাড়ি বলে অভিযোগ তোলেছেনে স্থানীয়রা।

টাঙ্গাইলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, যমুনা নদীতে ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। আমরা জি ও ব্যাগ দিয়েছি। তবে নতুন ভাবে ভাঙ্গন কবলিত এলাকা আমাদের
করণীয় হিসাবে উর্ধ্বতন মহলকে জানাতে হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *