টাঙ্গাইলের সখিপুরে প্রতারক রুমা বহুবিবাহের ফাঁদ পেতে পুরুষদের জিম্মি! সখিপুর থানায় সাধারণ বহি

সখিপুরে প্রতারক রুমা বিয়ের ফাঁদে ফেলে পুরুষদের জিম্মি

বিয়ের কাবিন করলেও একাধিকবার বিয়ে বসছে কোনো স্বামীকে ডিফোর্স না দিয়েই!

নিজস্ব প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলের সখিপুরে বহু বিবাহের ফাঁদ পেতে প্রতারক রুমা বেগম (৩৫) পুরুষদের জিম্মি করছে। বিয়ের কাবিন করলেও একাধিকবার বিয়ে বসছে কোনো স্বামীকে ডিফোর্স না দিয়েই।

পুলিশ সুত্র ও ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, সখিপুর কলিয়া গ্রামের ভেন্ডারের ভাতিজি রুমা

কয়েক বছর যাবত বিয়ে বসছে। এ যাবত ছয় জায়গায় বিয়ে বসেছে। অধিকাংশ বিয়ে তথ্য গোপন ও অভিভাবক এর অসম্মতি ও প্রেমের

ফাঁদে পড়ে হয়েছে বলে তাদের মন্তব্য।

ভুক্তভোগী অধিকাংশ পরিবার সদস্য মামলার আসামী হয়েছে।

একটি পরিবার অভিভাবক সুত্র জানায়, রুমা অভিযুক্ত এইজন্য যে, সে আমার ছেলের বউ। নাতনীকে নিয়ে উধাও হয়ে গেছে। এজন্য সখিপুর থানায় জি,ডি করেছি বলে ব্রাক্ষণচালা গ্রামের শামসউদ্দিনের পুত্র রফিক মিয়া জানান।

কাকড়াজান ইউনিয়নের ব্রাক্ষণচালা গ্রামের কাতার প্রবাসী সাইদের পিতা রফিক মিয়া ও চাচা আ: মান্নান অভিযোগ করেন, প্রতারক রুমা আমার ছেলে সাইদের বিবাহিত স্ত্রী। আমার এই ছেলের ঘরে দুই বছরের নাতনীকে নিয়ে দীর্ঘ দিন যাবত নিখোঁজ রয়েছে। এজন্য সখিপুর থানায় জি,ডি করেছি।

পরে জানতে পারলাম আর এক জায়গায় বিয়ে বসেছে। অথচ আমার ছেলের সাথে কোনো ডিফোর্স হয়নি। এখন আমার ছেলে আমার সাথে কোনোরুপ যোগাযোগ রাখেনা। শুনছি রুমাকে খরচ দেয়। আবার আরেকজনের

কাছে বিয়েও বসেছে নতুন করে এই প্রতারক রুমা।

কাকড়াজান ইউপি চেয়ারম্যান মো: দুলাল হোসেন জানান, এই রুমাকে নিয়ে এর আগ নানা বিচার-সালিশও করেছি। এর আগেও দুই/ তিন জায়গায় এভাবে বিয়ে বসে আবার ডিফোর্স ছাড়াই চলে এসেছে।

কালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম হারেজ বি,এস,সি জানান, রুমা আরো দুই জায়গায় বিয়ে বসেছিল, এক স্বামীর ঘরে দুুই বাচ্চা, ওগুলো বড় বড় হয়ে গেছে, তাদের ফেলে রেখে আরেক জায়গায় বিয়ে বসেছিল।

এখন আবার শুনছি আরো কয়েক জায়গায় বিয়ে বসেছে।

এ বিষয়ে সখিপুর থানার কর্তব্যরত এ,এস,আই আরিফ জানান, ব্রাক্ষণচালা গ্রামের রফিক মিয়া লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। বিষয়টি জানতে পেরেছি। তবে এই মহিলা এর আগেও

একাধিকবার অন্য পুরুষদের সাথে চলে গিয়েছে বলে তিনি তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

রুমা বেগমের মায়ের মুঠোফোনে বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে সে জানায়, ওই কুলাঙ্গার পেটে ধরে ইজ্জত সব গেছে। ওর খবর আমরা

রাখিনা।

তবে রুমা বেগমের মুঠোফোনে তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে সে জানায়, ‘আমি আবার বিয়ে বসেছি। আমার একাউন্টে মোটা অংকের টাকা জমা রেখে আমাকে বিয়ে করেছে নতুন স্বামী। আমি তার সাথেই ব্যবসা করি। রাজধানী ঢাকা আব্দুল্লাহপুরে ফ্লাটে থাকি। আমার দুই বছরের মেয়ে সাউদা কে মেনে নিয়েছে আমার স্বামী বলেও সে জানায়। তার
আগের স্বামীদের সে ডিফোর্স দিয়েছে কিনা
বা তার স্বামীরা তাকে ডিফোর্স দিয়েছে কিনা
এ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে সে জানায়, আসলে আমরা প্রেমের সম্পর্ক করে বিয়ে করতাম, কাবিনও করেছি কিন্তু কোনো স্বামীকে
ডিফোর্স দেইনি। তবে দু’একজন এর বিরুদ্ধে সন্তান এর খরচ দাবিতে মামলা করেছি। ‘

ছবিতে- প্রতারক রুমা বহু বিবাহ ফাঁদ পেতে পুরুষদের জিম্মি করে আসছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *